এ বছর ৫৩০ কোটি মোবাইল ফোন ফেলে দেয়া হবে

[ad_1]

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের পরিমান দিন দিন বাড়ছে। সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ বিপদজনক ইলেক্ট্রনিকস বর্জ্য। ই-বর্জ্যরে অন্যতম মোবাইল ফোন। ইন্টারন্যাশনাল ওয়েস্ট ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইক্যুইপমেন্ট (ডব্লিউইইই) বলছে, চলতি বছর ৫৩০ কোটি মোবাইল ফোন ফেলে দেয়া হবে। ই-বর্জ্য পরিবেশের জন্য কতোটা ভয়াবহ তার ওপর এ প্রতিবেদনে জোর দেয়া হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে অনেকেই পুরনো ফোন রিসাইক্লি করার পরিবর্তে নিজেদের কাছে রেখে দেয়। মোবাইলের ভেতরে তারে থাকা কপার ও কোবাল্টের মতো মূল্যবান খনিজগুলো আহরন করা হয় না। ফলে এসব খনিজ প্রয়োজনে আবারো খনন করে বের করা হয়।

ডব্লিউইইইর মহাপরিচালক প্যাসকল লিওরি বলেছেন, ‘সাধারন মানুষ বুঝতে পারে না যে তাদের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়া এই পণ্যগুলো কতোটা মূল্যবান। পুরো বিশ্বে এ ধরনের পণ্যের বিশাল স্তুপ জমে যাচ্ছে।’

Techshohor Youtube

এক হিসেবে দেখা গেছে বিশ্বব্যাপি এক হাজার ৬০০ কোটি মোবাইল ফোন রয়েছে। ইউরোপে থাকা মোট ফোনের এক তৃতীয়াশই ব্যবহৃত হচ্ছে না। ডব্লিউইইই বলছে ওয়াশিং মেশিন থেকে শুরু করে টোস্টার, ট্যাবলেট কম্পিউটার ও গ্লোবাল পজিশনি ডিভাইসের (জিপিএস) মতো ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রিক ই-বর্জ্যরে পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। ২০৩০ সাল নাগাদ এ ধরনের ই-বর্জ্যরে পরিমান দাঁড়াবে সাত কোটি ৪০ লাখ টন।

চলতি বছরের শুরুতে রয়্যাল সোসাইটি অব কেমেস্ট্রি এই ই-বর্জ্য ব্যবহার করে নতুন পণ্য তৈরিতে উৎসাহী করতে একটি ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে। সেখানে গুরুত্বের সাথে বলা হয় ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিশ্বব্যাপি চলমান দ্ব›দ্ব মূল্যবান ধাতুর সাপ্লাই চেইনে সমস্যা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় নতুন পণ্য তৈরিতে এসব ই-বর্জ্যগুলো ব্যবহার করা যায়।

ডব্লিউইইইর ম্যাগডালেনা চ্যারিটানোভিজ বলেছেন, ‘নতুন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস অথবা পরিবেশবান্ধব হিসেবে পরিচিত বায়ুকল, ইলেক্ট্রিক গাড়ি, সোলার প্যানেলের মতো অন্যান্য যন্ত্র তৈরি করতে এই পুরনো ডিভাইসগুলো গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স হিসেবে কাজ করবে।’

গবেষণায় আরো বলা হয়, দ্রুত বর্ধনশীল ও সবচেয়ে জটিল ই-বর্জ্যে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ রয়েছে; যা মানব স্থাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর।

আরএপি



[ad_2]

Source link

Leave a Comment